Main Menu

ক্যামেরা লেন্স পরিচিতি

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অনেকেই এখন পেশা হিসেবে ফটোগ্রাফিকে বেছে নিচ্ছেন। এই পেশায় যেমন আনন্দ আছে, তেমনি আছে সম্মানী। ফটোগ্রাফির অন্যতম প্রধান উপকরণ হল একটি ডিএসএলআর এবং তার সাথে লেন্স। লেন্সের মদ্ধে আবার অনেক প্রকার রয়েছে। আজকের এই আর্টিকেল এর আলোচ্য বিষয় ই হচ্ছে কোন ধরনের ফটোগ্রাফির জন্য কোন ধরনের লেন্স আবশ্যক। আল্ট্রা-ওয়াইড থেকে অতি-দীর্ঘ পর্যন্ত লেন্সগুলির সম্পূর্ণ ফোকাল পরিসর চিন্তা করতে করতে আপনার চিন্তার ফাঁদে পড়ে যাওয় সম্ভাবনা অনেক । এই ভুল পদ্ধতি পরিবর্তে আপনি কী ধরণের ছবি গুলি করতে চান তা ঠিক করুন, তারপরে এমন লেন্স বেছে নিন যা সেই ধরণের ফটোগ্রাফির জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।

১. টেলিফোটো জুম লেন্স (Telephoto zoom lens)

বেশিরভাগ নির্মাতারা কিট লেন্সের সহযোগী হিসাবে বিল্ড কোয়ালিটি এবং সাশ্রয়ী মূল্যের দাম সহ একটি টেলিফোটো জুম লেন্স তৈরী করে। এটির প্রায় সাধারণত ৫৫-২০০ মিমি ব্যাপ্তি থাকে । একটি টেলিফোটো লেন্স আপনাকে এমন বিষয়গুলি ক্যাপচার করতে দেয় যা খুব দূরের। যাইহোক, তাদের দীর্ঘ ফোকাল দৈর্ঘ্য হওয়ায় তাদের ক্ষেত্রের ডেপথ খুব কম। সাধারণত শুটিংয়ের জন্য এটি সেরা পছন্দ।

২. সুপারজুম লেন্স (Superzoom lens)

আপনি যখন ছুটিতে থাকেন তখন আপনি অবিচ্ছিন্নভাবে লেন্স পরিবর্তন করতে চান না। সহজে শুট করতে চান। বার বার লেন্স পরিবর্তন করার ঝামেলা করেন না। এই উদ্দেশ্যে একটি সুপারজুম লেন্স তৈরি করা হয়েছিল। ফোকাল সেন্স ১৮-২০০ মিমি বা ১৮-৩০০ মিমি থেকে শুরু হওয়া কেন্দ্রীয় দৈর্ঘ্যের সাথে এটি আপনাকে বেশিরভাগ পরিস্থিতিতে সাহায্য করবে। অ্যাস্ট্রোফোটোগ্রাফির কিছু ক্ষেত্রে এটির লেন্স প্রয়োজনীয় দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হতে পারে। ছুটির দিনে শুটিংয়ের জন্য আপনি এই লেন্সটি ব্যবহার করতে পারেন।

৩. ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স (Wide or ultra-wide angle lens)

চোখের সামনে যা আছে তার সম্পূর্ণটাই যদি ক্যাপচার করতে চান তহলে ওয়াইড এঙ্গেল ল্যান্স কিনবেন। এটা খুব কাছে এবং দুইপাসের প্রায় সম্পূর্ণটা ক্যাপচার করে। আদর্শ ল্যান্ডস্কেপ লেন্স সেন্সরে প্রায় ১২ মিমি থেকে ১৮ মিমি দৈর্ঘ্যের ফোকাল দৈর্ঘ্য সহ একটি প্রধান লেন্স থাকে। আরও ফ্লেক্সিবিলিটির জন্য আপনি ১0 মিমি থেকে ২৪ মিমি পর্যন্ত ওয়াইড জুম বিবেচনা করতে পারেন। ফিশিয়ে লেন্সের মতো মাত্রায় অতিরিক্ত বিকৃত না হয়ে ফ্রেমে কোনও দৃশ্যের যতটা ফিট করার ক্ষমতা তাদের রয়েছে। ছবিগুলো এঙ্গেল একটু বাকা হয়ে গোলাকার রূপ ধারণ করতে পারে। অবশ্য এটাও অনেকের পছন্দ। লাইটরুম সফটওয়্যার দিয়ে অবশ্য বেশ কিছু পরিবর্তন করে নিতে পারেন। ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফির জন্য অনেকে এই ল্যান্স ব্যবহার করে। ওহ, অনেক কাছে থেকে অনেক বড় কিছুর ছবি তোলতেও এটা দারুন কাজ করে। অনেক কমার্শিয়াল বড় প্রোজেক্টের ছবি তোলতে দূরে যাওয়া যায় না সে ক্ষেত্রে একটা ওয়াইড এঙ্গেল ল্যান্স কিনে নিতে পারেন।

৪. প্রাইম লেন্স (Prime Lens)

চোখের সামনে যা আছে তার সম্পূর্ণটাই যদি ক্যাপচার করতে চান তহলে ওয়াইড এঙ্গেল ল্যান্স কিনবেন। এটা খুব কাছে এবং দুইপাসের প্রায় সম্পূর্ণটা ক্যাপচার করে। আদর্শ ল্যান্ডস্কেপ লেন্স সেন্সরে প্রায় ১২ মিমি থেকে ১৮ মিমি দৈর্ঘ্যের ফোকাল দৈর্ঘ্য সহ একটি প্রধান লেন্স থাকে। আরও ফ্লেক্সিবিলিটির জন্য আপনি ১0 মিমি থেকে ২৪ মিমি পর্যন্ত ওয়াইড জুম বিবেচনা করতে পারেন। ফিশিয়ে লেন্সের মতো মাত্রায় অতিরিক্ত বিকৃত না হয়ে ফ্রেমে কোনও দৃশ্যের যতটা ফিট করার ক্ষমতা তাদের রয়েছে। ছবিগুলো এঙ্গেল একটু বাকা হয়ে গোলাকার রূপ ধারণ করতে পারে। অবশ্য এটাও অনেকের পছন্দ। লাইটরুম সফটওয়্যার দিয়ে অবশ্য বেশ কিছু পরিবর্তন করে নিতে পারেন। ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফির জন্য অনেকে এই ল্যান্স ব্যবহার করে। ওহ, অনেক কাছে থেকে অনেক বড় কিছুর ছবি তোলতেও এটা দারুন কাজ করে। অনেক কমার্শিয়াল বড় প্রোজেক্টের ছবি তোলতে দূরে যাওয়া যায় না সে ক্ষেত্রে একটা ওয়াইড এঙ্গেল ল্যান্স কিনে নিতে পারেন।

৪. প্রাইম লেন্স (Prime Lens)

Picture from Techradar

৬০ মিমি থেকে ৮৫ মিমি পর্যন্ত অঞ্চলের ফোকাল দৈর্ঘ্য এবং কমপক্ষে এফ / ২.৮ এর অ্যাপারচার সহ লেন্সকে প্রাইম লেন্স বলে। আসলে পোট্রেট ছবি তোলার ক্ষেত্রে এই ল্যান্স ব্যবহার হয়। আমরা মানুষেরা নিজেদের সম্পূর্ণ অবয়ব বা কাছের কিছু অংশের ছবি তোলতে চাই। আর এটা তাই।

প্রাইম লেন্সগুলিতে সাধারণভাবে জুমগুলির চেয়ে বেশি সর্বাধিক অ্যাপারচার থাকে। শাটারটি যখন খোলা হয় তখন আরও বেশি আলো দেওয়া হয়, এর অর্থ আপনি আপনার আইএসও বৃদ্ধি না করে বা আপনার শাটারের গতি কমিয়ে না নিয়ে স্বল্প হালকা পরিস্থিতিতে আপনার প্রয়োজনীয় এক্সপোজারটি পেতে সক্ষম হবেন। এটি আপনাকে প্রতিকৃতিগুলির জন্য পছন্দসই চেহারা দেয়।

ফটোগ্রাফী বিষয়ে লেখা সমুহঃ

৫. কিট লেন্স (Kit Lens)

Picture from improvephotography.com

কিট লেন্সগুলি প্রায়শই অন্যান্য ধরণের ক্যামেরা লেন্সগুলির চেয়ে খুব কমই ফোকাল দৈর্ঘ্যে আসে যা ১৮-৫৫ মিমি থেকে দীর্ঘ হয়। ম্যাক্রোর মতো অন্যান্য বিশেষ লেন্সগুলির তুলনায় (যার ফোকাল দৈর্ঘ্য ৬০ থেকে ২00 মিমি পর্যন্ত) এবং টেলিফোটো (২১ থেকে ৩00 মিমি), কিট লেন্সগুলির ফোকাল দৈর্ঘ্য খুব সীমিত। ভাল লেন্স ব্যয়বহুল এবং এখানে অনেকগুলি পছন্দ রয়েছে । আপনি যখন প্রথম শুরু করবেন তখন লেন্সের জন্য কেনাকাটা করা কিছুটা অভিভূত হতে পারে – আপনি কী পছন্দ করেন বা কোন ধরণের লেন্স আপনি কি চান তা সর্বোত্তমভাবে অর্জন করবে সে সম্পর্কে আপনি যখন নিশ্চিত না হন তখন কোনও লেন্সে কয়েক হাজার ডলার ব্যয় করা খুব একটা বোঝা যায় না। আপনি যখন প্রথম শুরু করবেন, আপনি কেবল ফটোগ্রাফি সম্পর্কে শিখছেন এবং আপনার ক্যামেরা কীভাবে ব্যবহার করবেন তা শিখছেন না, তবে আপনার পছন্দগুলিও শিখছেন। সেক্ষেত্রে কিট লেন্স অনেক উপকারি।

ম্যাক্রো ল্যান্স (Macro Lense)

Image by Josch13 from Pixabay

একেবারে ক্ষুদ্রতম জিনিসের ছবি তোলতে এটা ব্যবহার হয় যেমন পানির ফোটা, পিপড়ার মুখ বা ছুট পোকা ইত্যাদি। খুব কম বিক্রি হলেও ম্যাক্রোফটোগ্রাফিতে আগ্রহী অনেকেই এই ল্যান্স ব্যবহার করে থাকে।

লেন্স ক্রয়ের ক্ষেত্রে বাজেট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার বিষয়। আপনি আপনার গুরুত্ব অনুযায়ী লেন্স এর বর্তমান মূল্য দেখে নিতে পারেন এখান থেকে এবং এর সাথে কম্পেটিবল ডিএসএলআর গুলো দেখতে পারেন এই জায়গা থেকে



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

+ 31 = 36