জাতীয় হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা
১০টি জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যার তথ্যপ্রযুক্তিগত উদ্ভাবনী সমাধানের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল হ্যাকাথন অন ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজিস প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে গতকাল শনিবার রাজধানীর ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে (আইইউবি) তে। উক্ত অনুষ্ঠানে সেরা ১০টি উদ্ভাবনী দলকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বিজয়ী দলগুলো তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টেক মাহিন্দ্রা লিমিটেডের ল্যাবে গবেষণা ও প্রযুক্তি সহায়তা পাবে।
বিজয়ী দলগুলো হচ্ছে—গুজব প্রতিরোধে ব্যবস্থা প্রবর্তনে অন্যেষা প্রকল্প নিয়ে টিম অনটন, পল্লি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মনিটরিংয়ে ডিজিটাল পাবলিক সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম প্রকল্প নিয়ে সাউট টু, কার্যকর ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির প্রবর্তনে গ্রিন বিডি প্রকল্প নিয়ে ট্রজান, ইন্টিগ্রেটেড মার্কেট ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম নিয়ে অরিজিন্যাটিভ-১, যথাযথভাবে খাদ্যশস্য সংরক্ষণে স্মার্ট ওয়্যারহাউসে অ্যান আইওটি বেজড স্মার্ট ওয়্যারহাউস ফর প্রিজার্ভিং গ্রেইনস প্রপারলি প্রকল্প নিয়ে ব্রগ্রামার্স, রিয়েল টাইম ইমারত নির্মাণ পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা প্রবর্তনে পর্যবেক্ষণ প্রকল্প নিয়ে ল্যাম্বডা, পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে যথাযথ ব্যবস্থা প্রবর্তনে অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ প্রকল্প নিয়ে রুয়েট অ্যাবাকাস, রেল দুর্ঘটনা রোধে ক্যাব সিগন্যালব্যবস্থা আধুনিকায়নে কমিউনিকেশন বেজড রেল ট্রাফিক কন্ট্রোল উইথ ক্যাব সিগন্যালিং প্রকল্প নিয়ে টিম সিগনাস, নৌ-দুর্ঘটনা রোধে আধুনিক নৌযান সিগন্যালিং/ট্র্যাকিং পদ্ধতি চালুকরণে দ্য কোস্ট গার্ড প্রকল্প নিয়ে জ্যান্ডার ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স’এবং ‘মোটরযান ফিটনেস সার্টিফিকেট’প্রদান ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ড্রাইভ সেভ লাইভ প্রকল্প নিয়ে বুয়েট স্ক্যামারস।
সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ, টেক মাহিন্দ্রার করপোরেট অ্যাফেয়ার্সের সভাপতি সুজিত বক্সী, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার শ্রী বিশ্বদীপ, বিসিসির নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, অতিরিক্ত সচিব রাশেদুল ইসলাম ও আইডিয়া প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সৈয়দ মজিবুল হক।
অনুষ্ঠানে জুনাইদ আহমেদ বলেন, স্থানীয় উদ্ভাবনেও বৈশ্বিক সমস্যা সমাধান হতে পারে। বিশ্বের সকল উদ্ভাবন এসেছে সরকার, একাডেমিয়া এবং ইন্ডাস্ট্রি তিনটি পক্ষের পারস্পরিক সমঝোতা ও অংশীদারত্বের ভিত্তিতে। তরুণ উদ্ভাবকদের ভবিষ্যতে স্টার্টআপ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।










